কি ভাবে বুঝবেন আপনার স্মার্ট ফোনে ম্যালওয়ার সংক্রমণ হয়েছে

স্মার্ট ফোন এমন এক ডিভাইস যা দিয়ে সুধু কথা বলাতেই মিমিত নেই। স্মার্ট ফোন দিয়ে আমরা যোগাযোগ স্থাপন থেকে শুরু করে অর্থ আদান প্রদান করে থাকি তাই লরমাদের ব্যাবহুত এই ডিভাইটি হ্যাকারদের প্রধান তম লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। কারণ একবার যদি আমাদের স্মার্ট ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে হ্যাকারগণ তাহলে আমাদের ডিভাইসে যুক্ত ব্যাক্তিগত তথ্য থেকে সুরু করে ব্যাংকিং তথ্য, যেমন ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য, ব্যাংক হিসাবের নাম্বার বা পাসওয়ার্ঢ সব কিছুই চুরি করে নিতে পারে হ্যাকাররা। এবং আমাদের অজান্তেই আমাদের তথ্য অপব্যাবহার এবং আমাদের ব্যাংক হিসাবে সঞ্চিত অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে হ্যাকার। সে জন্য আমাদের স্মার্ট ফোনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে অতি সচেতন হতে হবে। তা না হলে আমাদের অজান্তেই আমাদের এসকল স্পর্শকাতর তথ্য চরি হয়ে যাবার প্রবল আশংখা আছে।

আপনার ফোনটি হ্যাক হয়েছে কি না বিংবা আপনার ফোনে ম্যালয়ার পবেশ করেছে কি না তা যেভাবে বুঝবেন।

* যদি আপনার ফোনটি কোন কারণ ছাড়া অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় তবে বুঝতে হবে আপনার ফোনে ভাইরাস বা ম্যালয়ার আক্রমণ করেছে। তবে এ ক্ষেত্রে সব সময় যে ভাইরাস বা ম্যালয়ারের আক্রমণেই ফোন গরম হয় তা ন্তিু নয় দূর্বল নেটওয়ার্কের কারণেই অনেক সময় ফোন গরম হতে দেখা গেে বিশেষ করে থ্যি জি ফোন গুলো দূর্বল নেটওয়ার্কে ব্যাবহার করলে অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। ফোর জি ফোন গুলতে এই সমস্যা তেমন একটা লক্ষ্য করা যায় না তবে ব্যান্ড ভেদে ফোন কম বেশি গরম হয়ে থাকে। বাংলাদেশের প্রেক্ষ্যাপটে ওয়ালটন কোম্পানির ফোনগুল তুলনামূলক বেশি গরম হয়। ব্যাবহারকারী যদি বুঝতে পারেন তার মোবাইল ফোনটি অস্বাভাবিক গরম হয়ে যাচ্ছে তাহলে আপনার ফোনে এ্যান্টি ভাইরাস ইনিস্টল করে অবশ্যই ভাইরাস স্কান করে নেবেন।

* যদি স্মার্ট ফোনে অপরিচিত এ্যাপ আপনার অজান্তেই ডাউনলোড বা ইনিস্টল হয়ে থাকে তাহলে আপনার ফোনটি ম্যালযয়ার আক্রান্ত হবার সম্ভবনা প্রবল এ ক্ষেত্রে আপনার ফোনটি অবশ্যই হাড রিসেট করে নেবেন। হাড রিসেট করার আগে আপনার প্রয়জনীয় ডেটা অবশ্যই ব্যকআপ করে রাখবেন কারণ হাড রিসেট করলে ফোনে থাকা সকল ডেটা ডিলিট হয়ে যায়।

* যদি মাত্রাতিরিক্ত ইন্টারনেট ডাটা ব্যাবহার হয় তাহলেও আপনার ডিভাইসটি ম্যালয়ার বা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে। আপনি যদি লক্ষ করে আপনার ফোনটি অতিরিক্ত ইন্টারনেট ডেটা ব্যাবহার করছে যা আগের তুলনায় সন্দেহজনক ভাবে বেশি। যেমন আপনার ফোনে ১ জিবি টো আছে আপনি ফোনটিতে চার্জ দিয়ে রেখে দিয়েছেন চার্জ থেকে ফোনটি খোলার পর দেখলেন আপনার ফোনে মাত্র ৫০০ এমবি ডেটা অবসিষ্ট আছে তাহলে অনুমান করা যায় আপনার ডিভাইস আপনার অনুমোতি চারাই আপনার ইন্টারনেট পৗাকটি ব্যাবহার করছে কারণ আপনি তো এই সময়ের মধ্যে কিছুই করেননি। আপনি ফেইসবুক ব্যাবহার করেননি। কিংবা ইউটিউবে ভিডিও দেখেননি তাহলে কেন ডেটা ব্যাবহার করবে ফোন। আধূনিক স্মার্ট ফোট অবশ্য নিজে নিজেই কিছু পরিমাণ ডেটা ব্যাবহার করে থাকে। সেটা বিভিন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এ্যাপ যেমন ফেইসবুক, ইমো ইত্যাদি। এসকল এ্যাপ সারাক্ষন সার্ভারের সাথে সংযুক্ত থাকে যাতে করে আনাকে করা কল কিংবা আপনাকে পাঠানো এসএমএস প্রেরনেই সাথে সাথেই আপনার কাছে াৈপছে যাতে পারে। তবে মনে রাখবেন এসকল এ্যাপ এত বেশি পরিমাণ ডেটা ব্যাবহার করে না যখন আপনি ফোন ব্যাবহার করে না তখন। তাই সন্দেহ জনক ডেটা ব্যাবহার দেখলেই ফোনে এ্যান্টি ভাইরাস ইনিস্টল করণ কিংবা ফোনটিকে হাড রিসেট করুন।

* এছাড়াও আপনি যদি লক্ষ্য করে আপনার স্মার্টফোন থেকে এমন কল কিংবা এসএমএস করা হয়েছে যা সম্পর্কে আপনি পরিপূর্ণ নিশ্চিত আপনি কিংবা অন্য কোন ব্যেক্তি সেই কল বা এসএমএসটি করেননি তাহলে প্রবল আশংখা আছে আপনার ডিভাইসটি হ্যাকড হবার।

কিছু কথা প্রিয় পাঠক উপরক্ত বিষয়বস্তু জানার পর আমি বিস্যাস করি আপনি বুঝতে পরেছেন আমাদের স্মার্টফোনের নিরাপত্তা নিশ্চত করাটা কতটা রুরি সুতরাং আপনার প্রিয় ফোনটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ফোনে প্রিমিয়াম কুয়ালিটির এন্টি ম্যালয়ার এবং এন্টি ভাইরাস ব্যাবহার করুন এবং নিরাপদ থাকুন ভাল থাকুন লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *