মহাকাশকে হাতের মুঠোয় এনেছে যে টেলিস্কপ

পৃথিিবর সৃষ্টি থেকে সুরু করে আদি থেকে অন্ত মানব জাতির অতিত থেকে ভবিস্যত জানার আগ্রহ রয়েছে সেই প্রাচীন কাল থেকেই। পৃথীবি সৃষ্টি কি ভাবে হল সেটা নিয়ে যেমন ছিল নানা রকম মত,তেমন কি ভাবে মানুষের ভবিস্যত জানা যায় সেটি নিন্নয় করার জন্য রয়েছে বেশ করেকটি পদ্ধতি,যদিও এসকল পদ্ধতির কোন বিজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকলেও প্রচুর মানুষ এ সকল পদ্ধতিতে আস্থা রেখে থাকেন। পৃথীবি সৃষ্টি নিয়ে বিভিন্য ধর্মে বিভিন্য কাহিনি প্রচলিত আছে,এবং আছে কয়েকটি প্রাকৃতীক ধারণা এগুল একে অপরের সাথে সাংঘর্সিক হলেও বর্তমান সময়ে এসকল ধরনার বেশ কদর রয়েছে।

প্রাচিন কাল থেকেই মহাকাশের প্রতি মানুষের রয়েছে প্রবল আগ্রহ,মহাকাশ বলতে বোঝায় সুর্য চাঁদ,তারা,গ্রহ,নক্ষত্র,উল্কা,ব্যাক হোল,নিহারিকা,গামা রসনি গ্যালাস্কি ইত্যাদি।
প্রাচিন কালে মানুষের মিতিন সক্ষমতা দিয়ে মানুষ মহাকাশ সম্পর্কে গবেষণা করত,ছিল না কোন দূরবিক্ষন যন্ত্র,ছিল না কো কৃত্বিম উপগ্রহ,খালি চোখে যেটুকু দেখা যেত ততটুকুই ছিল ত্বতকালিন জ্যতিসবিজ্ঞানিদের আলচ্য বিষয়।

আমাদের ভবিস্যত জানার আকাংখা পুরণের জন্য আমরা বেশ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকি যেমন রাসি ফল বের করা,গ্রহ নক্ষত্র এর অস্থান জেনে নিজের ভাগ্য নিন্নয় করা ইত্যাদি,রাসিফল বা গ্রহ নক্ষত্র এর অবস্থান থেকে ভাগ্য নিন্নয় করাকে অনেকে হাস্যকর বলে দাবি করে থাকেন,তারা বলেন এসকল পদ্ধতি খুবই হাস্যকর এবং অযৈক্তিক,কিন্তু এসকল পদ্ধতিতে যারা আস্থা রাখেন তারা এ দাবি মানতে নারাজ। এ দাবির স্বপক্ষের মানুষজন নিজেদের দাবি প্রমাণে বিভিন্য যুক্তি দিয়ে থাকে যেগুল বেশিরভাই বিস্যাস কেন্দ্রিক।
টাই মেশিন নিয়েও আমাদের আগ্রহের শেষ নেই কিভাবে টাইম মেশিন আবিস্কার করে আমরা আমাদের ভিবিস্যত জানতে পার সেটা অনেও রয়েছে প্রচুর জল্পনা কল্পনা,কেউ কেউ তো দবি করে বসেন যে তারা টাইম মেশিন আবিস্কার করে ফেলেছেন কিন্তু তাদের সে দাবির পক্ষে তারা কোন প্রামাণ দিতে অক্সম। সময় যাত্রার ধারণা দিতে গিয়ে স্টিফেন হকিং বলেছিলেন’টাইম মেশিন থিওরিকালি আবিস্কার করা সম্ভব তবে এটি ব্যস্তবে আবিস্কার করার মত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এখনও আমাদের হয়নি। টাইম মেশিন যদি আবিস্কার হয় তাহলে কি ঘটতে পারে প্রিয় পাঠক একটু চিন্তা করে দেখুন তো। টাইম মেশিন যদি আবিস্কার হয় তাহলে আমি ভবিস্যতে গিয়ে যদি আমি আমার দাদাকে হত্যা করে আসি তাহলে আমার পিতার জন্ম হবার কথা নয় তাইনা যদি আমার পিতার জন্ম না হয় তাহলে তো আমার নিজের জন্মও হবার কথা নয় আর যদি আমার নিজের জন্মই না হয় তাহলে আমি ভবিস্যতে গিয়ে কি করে আমার দাদাকে হত্য করতে পারি?

ইংরেজী ১৬০৯ সালে ইতালির হ্যাবল নামের একজন জ্যতিষবিজ্ঞানী প্রথম বারের মত একটি দূরবিক্ষন যন্ত্র আবিস্কার করেন। তিনিই প্রথমবারের মত চাঁদের গায়ে থাকা গর্ত এবং বৃহশপতি গ্রহের প্রকৃত রুপ দেখতে পান এমন কি তিনি বৃহশপতি গ্রহের চাঁদগুলিকেও পরিস্কার দেখতে পান বলে জানা যায়। তার আবিস্কারের হাত ধরে পরবর্তিতে অনেক ব্যক্তি অসংখ দূরবিক্ষন যন্ত্র আবিস্কার করেছেন। ব্যক্তি পর্যায় পেরিয়ে পরবর্তিতে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা কে ছে বিভিন্য রাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাসা যার মধ্যে অন্যতম নাসার রয়েছে বেশ করেকটি অধুনিক এবং অত্যাধুনিক টেলিস্কপ,যেমন জেমস ওয়েব টেলিস্কপ,হ্যাবল স্পেস চেলিস্কপ। ইতিহাসে হ্যাবল স্পেস টেলিস্কপের মত এত আধুনি টেলিস্কপ আর আগে আবিস্কৃত হয় নাই। ২৪ এ এপ্রিল, ১৯৯০ সালে নাসা এবং ইউরোপীয় সহাকাশ সংস্থা যৈাথ ভাবে স্পেস সাটেল ডিস্কভারি রকেটের মাধ্যমে এই দুরবিক্ষন যন্ত্রটি মহাকাশে প্রেরণ করে। ১১,১১০ কেজি ওজনের এই দূরবিক্ষন যন্ত্রের রয়েছে বিশ্বয়কর কিছু ফিচার যেমনঃ এটি দূরবর্তি অতি বেগুনি র¯িœ, গামা-রে, এক্স-রে সহ বিভিন্য প্রকার রেডিয়েশন সনাক্ত করতে সক্ষম, এ দূরবিক্ষন যন্ত্রটির নাম করণ করা হয়েছে ইতালির প্রক্ষ্যত জ্যতিষবিজ্ঞাণী এডউইন হাবলের নামে।

এই দূরবিক্ষন যন্ত্রের পাঠানো বিশ্বয়কর কিছু ছবি নাসা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে, এছাড়াও এই যন্ত্র প্রতি নিয়ত নজর রেখে চলেছে দুর থেকে দুরের গ্যলাক্সিগুলতে,পুরনো তারার মৃত্যু এবং নতুন তারা জন্ম কি ভাবে হয় সে সকল তথ্য এই যন্ত্রের সাহায্যে আমরা আরও ভাল ভাবে জানতে পারছি। বিগ ব্যান রহস্যের সমাধানেও এই দূরবিক্ষন যন্ত্রটির বয়েছে উল্লেখযোগ্য অবদান, বøাক হোল সম্পর্কে আমরা সবাই জানি বিশেষ করে যাদের মহাকাশ কেন্দ্রিক আগ্রহ রয়েছে তারা তো অবশ্যই বøাক হোলের নাম শুনে থাকবেন,এই বøাক হোল কি ভাবে সৃষ্টি হয় কোথা থেকে এর উপ্তত্তি এসকল গবেষণা তে হাবল স্পেস টেলিস্কপ অসামান্য অবদান রেখে চলেছে, বর্তমানে আমরা জানতে পারছি বøাক হোলের আচরণ গতিবিধি সহ নানা প্রকার অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাতে করে এ বিষয়ে গবেষণা করাটা আরও সহজ হয়ে উঠেছে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের জন্য,প্রিয় পাঠক কি ভাবছেন ষুধু এটুকুই এই দূরবিক্ষন যন্ত্রের কাজ? জ্বী না আরও অনেক বিষয় এ বিষয়ে আমাদের সাইটে আরো নিবন্ধ প্রকাশ করা হবে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *