আপনিও খুব সহজে জেনে নিতে পারেন আপনার স্মার্টফোনে কোন ক্ষতিকর এ্যাপ ইনিস্টল করা আছে কি না

প্রিয় পাঠক আসসালামু আলাইকুম, নমস্কার, আদাপ, শুভেচ্ছা আশা করি সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহে ভাল আছেন। আমরা সবাই কম বেশি স্মার্টফোন ব্যাবহার করে থাকি কিন্তু আমরা বেশিরভাগ স্মার্ট ব্যাবহারকারীই আমাদের ফোনের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন নই। আর আমাদের এই দূর্বলতার সুযোগে হ্যাকার আমাদের ফোনে আরি পাতা থেকে শুরু করে হাতিয়ে নিচ্ছে আমাদের ব্যাক্তিগত ফাইল এবং ব্যাংকিং তথ্যের মত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। আমরা যদি একটু সচেতন হই তাহলেই কিন্তু আমরা বড় ধরণের ক্ষতি থেকে নিরাপদ থাকতে পারি। আপনার হাতের স্মার্টফোন ব্যাবহার করেই অণ্য কোন তৃতীয় পক্ষের এ্যাপ ব্যাবহার না করেই খুব সহজেই আপনি জানতে পারবেন আপনার ফোনে কোন ক্ষতিকর এ্যাপ ইনিস্টল করা আছে কি না। সে জন্য আপনার ফোনে থাকা গুগল প্লে স্টর এ্যাপটি খুলুন এবং ডান পাশের মেনু বাটন থেকে প্লে প্রটেক্ট অপশনটি নির্বাচন করুন। তারপর স্কান অপশন দেখতে পাবেন সেই স্কান বাটনে ট্যাপ করলেই আপনার ফোনে ইনিস্টলকৃত সকল এ্যাপকে গুগল প্লে প্রটেক্ট স্কান করা শুরু করবে এবং আপনার ফোনে যদি কোন প্রকার ক্ষতিকর এ্যাপ ইনিস্টল করা থেকে থাকে তাহলে গুগল প্লে প্রটেক্ট আপনাকে জানিয়ে দেবে তখন আপনি সেই এ্যাপটি রিমুভ করে দিয়ে আপনার স্মার্টফোনটিকে নিরাপদ করে তুলতে পারবেন।

এই পদ্ধতি ছাড়াও আরও বেশ কিছু নির্দেশনা মেনে চলেল আপনার ফোনে ক্ষতিকর এ্যাপ বা ম্যালওয়ার কিংবা ভাইরাস প্রবেশ করার ঝুকি অনেকটাই হ্রাস পাবে। এজন্য যা করণীয় তা হল অপরিচিত কোন সাইট থেকে এ্যাপ ডাইনলোড করবেন না। আর যদি নিতান্তই ডাউনলোড করতেই হয় তাহলে অবশই সেই এ্যাপটিকে এ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে স্কান করে নেবেন তারপর ফোনে ইনিস্টল করবেন। দ্বিতীয়ত হ্যাকারগণ ওয়েব লিংকের মাধ্যমে আমাদের স্মার্টফোনে ম্যালওয়ার এবং ভাইরাস প্রবেশ করিয়ে থাকে আর এই কাজের জন্য তারা আর্কশনীয় অফারের কথা লিখে আমাদের কাছে ওয়েব লিংক পাঠিয়ে থাকে। কোন প্রকার অপরিচিত ওয়েব লিংকে ক্লিক করার আগে অবশ্যই উক্ত ওয়েব লিংকটি যাচাই করে নেয়াটা জরুরী। এবং কোন সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকবেন। আর চেষ্টা করবেন শুধুমাত্র গুগল প্লে স্টোর থেকেই এ্যাপ ডাউনলোড করার। কারণ গুগল প্লে স্টোর নিরাপত্তার প্রশ্নে কোন চার দেয় না তারা নিয়মিত ব্যাবহারকারীদের নিরাপত্তা ঝ‚কি সনাক্ত এবং সে সকল ঝুকি মোকাবেলায় প্রয়জনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করে থাকে। তৃতীয়ত আপনার কাছে যদি ইমেইলের মাধ্যমে কোন ফাইল আস তালে সেই ফাইলটিকে ওপেন করার আগে অবশ্যই এ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে স্কান করে নেবেন ফাইলটি যদি নিরাপদ হয় তাহলেই শূধুমাত্র ফাইলটি ওপেন করবেন তা না হলে ফাইলটি ওপেন করবেন না। কারণ ইমেইলে ভাইরাস পাঠিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে টাকা চুরি করার ঘটনা আমরা সবাই কম বেশি জানি। তাহলে চিন্তা করে দেখুন একটা সামান্য ইমেইল আমাদের জন্য কতটা বিপদজনক হতে পারে। প্রিয় পাঠক সুস্থ্য থাকুন নিরাপদ থাকুন এবং সাইবার নিরাপত্তা প্রশংঙ্গে সচেতন হউন এবং আপনার বন্ধু বান্ধবদের সচেতন করে তুলুন। লেখাটি পড়ে যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে লেখাটি অবশ্যই আপনার ফেইসবুকের দেয়ালে শেয়ার করুন ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *